কালচারাল ইয়ার্ড ডেস্ক:
হুমায়ূন আহমেদের গল্পে আবেগ ও মানবিকতার সিনেমা নিয়ে আশাবাদী নির্মাতারা ট্রেনের আদলে সাজানো মঞ্চ, চরিত্রের নাম ধরে ডাক, আর একে একে ‘বগি’ থেকে নেমে আসা তারকারা—এভাবেই শুরু হলো বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘বনলতা এক্সপ্রেস’-এর যাত্রা। নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস ‘কিছুক্ষণ’ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমার মহরত অনুষ্ঠিত হয়েছে ঢাকার রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে।
মহরত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, ইন্তেখাব দিনার, শ্যামল মাওলা, সাবিলা নূর, শরীফুল রাজসহ এক ঝাঁক জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী। শিল্পীদের নাম ঘোষণা ও চরিত্র পরিচয়ের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সিনেমার যাত্রা শুরু করেন পরিচালক তানিম নূর।
পরিচালক জানান, খুব শিগগিরই শুরু হবে সিনেমার দৃশ্যধারণ। তিনি বলেন, “হুমায়ূন আহমেদের গল্প মানেই মানুষের অনুভূতি, নিঃশব্দ বেদনা আর গভীর মানবিকতার অনুরণন। বনলতা এক্সপ্রেস সেই অনুভবকে পর্দায় তুলে ধরার এক ভিজ্যুয়াল যাত্রা। দর্শক গল্পের ভেতর দিয়ে এক ধরনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা পাবেন।”
অভিনয়শিল্পীরাও সিনেমাটি নিয়ে নিজেদের আশাবাদের কথা জানান। মোশাররফ করিম বলেন, “আমরা সবাই এই বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনে উঠেছি একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার জন্য। এত গুণী মানুষ যুক্ত হওয়ায় বিশ্বাস করছি কাজটি সুন্দর হবে।”
সহযাত্রার গুরুত্ব তুলে ধরে জাকিয়া বারী মম বলেন, “কোনো যাত্রায় ভালো সহযাত্রী খুব দরকার। এখানে সবাই দারুণ সহযাত্রী—এই কারণেই এই সিনেমায় যুক্ত হওয়া।”
আজমেরী হক বাঁধন বলেন, “আমরা একসঙ্গে একটি যাত্রা শুরু করেছি, এর শেষ কোথায় তা এখনো অজানা। তবে এই ট্রেনের চালক এবং যাত্রীরা—দু’পক্ষই আমার খুব পছন্দের। সে কারণেই এই যাত্রায় সামিল হওয়া।”
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হইচই বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর সাকিব আর খান। এ সময় সিনেমাটির ভাবনা, নির্মাণ প্রক্রিয়া ও পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়।
হইচই স্টুডিওজ, বুড়িগঙ্গা টকিজ ও ডোপ—এই তিন প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ আগামী রোজার ঈদে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।