কালচারাল ইয়ার্ড ডেস্ক:
জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে চিত্রনায়ক রিয়াজের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে দুটি হত্যা মামলা। এই মামলার আগাম জামিন আবেদন করেছিলেন তিনি। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন হাইকোর্ট।
৩ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে সশরীরে আদালতে হাজির হন চিত্রনায়ক রিয়াজ। আবেদন করেন আগাম জামিনের। তবে শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন।
২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সরকারি আলিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ এমদাদকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে করা হয় একটি মামলা। ২০২৫ সালের ২ মে মামলাটি দায়ের করা হয়।
একই বছরের ৩০ এপ্রিল ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে শাহবাগ থানাকে এজাহার হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করে মোট ২০১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।
আসামিদের তালিকায় রিয়াজ ছাড়াও ফেরদৌস আহমেদ, চঞ্চল চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, মেহের আফরোজ শাওন, অরুণা বিশ্বাস, জ্যোতিকা জ্যোতি, শামীমা তুষ্টি, শমী কায়সার, সাজু খাদেম, আশনা হাবীব ভাবনা, সোহানা সাবা, রোকেয়া প্রাচী ও জায়েদ খানসহ ১৪ অভিনয়শিল্পীর নাম রয়েছে।
এ ছাড়া মামলায় ১৫ সাংবাদিক ও ১৩ শিক্ষকের নামও রয়েছে। সাংবাদিকদের মধ্যে সন্তোষ শর্মা ও মুন্নী সাহার নাম রয়েছে। শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন জাফর ইকবাল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য মিজানুর রহমান ও মুনতাসির মামুন।
জুলাই আন্দোলনকে ঘিরে দায়ের হওয়া আরও একটি হত্যা মামলায়ও রিয়াজকে আসামি করা হয়েছে। দুটি মামলাতেই গ্রেপ্তার এড়াতে আগাম জামিন চেয়েছিলেন তিনি। তবে শুনানি শেষে কোনো মামলাতেই আদালত তাকে আগাম জামিন দেননি।